ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ-হরিনাকুন্ডু-২ আসন ঘিরে বিএনপির ভেতরে এখন যেন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করলেও এই আসনে এখনও মনোনয়ন ঘোষণা করেনি দলটি।
এই বিলম্বেই ফুঁসে উঠেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা পেরিয়ে এখন তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে স্পষ্ট ক্ষোভ।
গুঞ্জন উঠেছে, বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানকে এই আসনে প্রার্থী করার চিন্তা করছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোড়ন। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুক পর্যন্ত—সবখানেই এখন আলোচনা, “এই আসন মানেই এম এ মজিদের আসন।”
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস এম সমিনুজ্জামান সমিন এক ভিডিও বার্তায় বলেন, যদি ত্যাগী নেতার বদলে তল্পিবাহককে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে আমরা নেতাকর্মী নয়, চাকর হয়ে থাকবো। আমরা তা হব না।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং তা ঘিরে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে তৃণমূলে।
বিএনপির একাধিক স্থানীয় শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এম এ মজিদই ঝিনাইদহ-২ আসনের একমাত্র যোগ্য প্রার্থী। তাদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, যদি রাশেদ খানকে টিকিট দেওয়া হয়, দলীয় অফিস তালাবদ্ধ থাকবে। সভা-সমাবেশে নেতাকর্মী থাকবেন না।
তারা আরও বলেন, রাশেদ খানের এলাকায় কোনো পরিচিতি নেই। কেন্দ্রীয় সম্পর্কের জোরে মনোনয়ন পাওয়া গেলে সেটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।
স্থানীয় নেতাদের মতে, এই ভুল সিদ্ধান্ত শুধু একটি আসন নয়, পুরো ঝিনাইদহ জেলার রাজনীতিতে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
যারা বছরের পর বছর হামলা-মামলা, কারাবরণ সহ্য করে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের মূল্যায়ন না করলে ভবিষ্যতে কেউ আর মাঠে থাকবে না —বলেছেন এক তৃণমূল নেতা।
ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে পোস্টার, ভিডিও, ব্যানার ঘুরছে— “আমাদের নেতা চাই, বসন্তের কোকিল নয়।” আরও একটি জনপ্রিয় স্লোগান— “আমাদের ত্যাগের ফসল যেন বাইরের কেউ কেটে
