শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছেন, শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এড়াতে নিয়োগ ও এমপিওভুক্তি একসঙ্গে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগে শিক্ষা ভবনে এমপিওভুক্তি দেওয়া হতো, যা বর্তমানে মাউশির ৯টি অঞ্চলে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ এড়াতে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ ও এমপিও প্রক্রিয়া একই সঙ্গে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন।
গতকাল বুধবার রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশনের সভাকক্ষে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রশাসনের দুর্নীতি দূর করা সময়সাপেক্ষ। দুর্নীতি রোধে সতর্ক বার্তা ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতি পুনরায় বাস্তবায়নের জন্য চিঠি পাঠানোর বিষয়েও আলোচনা করেন তিনি।
শিক্ষা উপদেষ্টা কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশ টেকনিক্যাল শিক্ষা নেয়, কিন্তু আমাদের দেশে সবাই অনার্স-মাস্টার্স পড়ছে, যা বেকারত্ব বাড়াচ্ছে।”
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন-ভাতার সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, সমস্যার সমাধানে সময় দিতে হবে। অনশন করে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিরোধে জারি করা বিজ্ঞপ্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
